অস্ত্র মজুদ নিয়ে বিএনপি নেতার আলোচনা, ভিডিও ভাইরাল
নির্বাচনকে সামনে রেখে অস্ত্র কেনা ও মজুদ নিয়ে বিএনপির এক নেতার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বজলুর রহমান ওরফে ডন বজলু তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়ার সময় তার সমর্থকদের বলতে শোনা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনারগাঁয়ে প্রচুর অবৈধ অস্ত্র মজুদ করা হচ্ছে।
এ সময় ডন বজলুর পাশে বসা তার একান্ত সচিব হিসেবে পরিচিত জাকারিয়াকে ডন বজলুর কানে বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদের আরো দুটি অস্ত্র দরকার। সোনারগাঁয়ে অবৈধ অস্ত্রের মজুদ করা হয়েছে।
২০২৫ সালের ২৯ জুন, হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে একটি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে ডন বজলুর উপস্থিতিতে তার বাহিনী বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান মুকুলকে দিনদুপুরে জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে মারধর করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে দেশ-বিদেশে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় ডন বজলুকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। এ ছাড়া ডন বজলুর বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বজলুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। খুদে বার্তা দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।
একাধিক স‚ত্রে জানা যায়, ডন বজলু গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে দল তাকে বহিষ্কার করলেও তিনি পিছপা হবেন না। এলাকায় তিনি গিয়াস উদ্দিনের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, শিল্প-কারখানার চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম, তার বাহিনীর অত্যাচারের কারণে এলাকাবাসী তাকে ডন বজলু নাম দিয়েছে।
২০২৫ সালের ২৯ জুন, হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে একটি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে ডন বজলুর উপস্থিতিতে তার বাহিনী বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান মুকুলকে দিনদুপুরে জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে মারধর করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে দেশ-বিদেশে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ডন বজলুকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। এ ছাড়া ডন বজলুর বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে কেউ যদি অবৈধ অস্ত্র মজুদ এবং অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এলে তারা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। তা ছাড়া দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রচারণা করলে দল থেকে তাকে অবশ্যই বহিষ্কার করা হবে।’
তবে এ বিষয়ে গিয়াস উদ্দিন জানান, তিনি দুটি আসনেই নির্বাচন করবেন। কোনো সন্ত্রাসীরা তার কর্মী হতে পারবে না।
মতামত দিন