বিএনপির সামনে বিদ্রোহী কাঁটা, সমঝোতা হয়নি জোটে
নারায়ণগঞ্জে পাঁচটি আসনে ভোটের লড়াইয়ে ৪৮ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। এদের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপি ও তাদের শরীক দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ৫ জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে দুটি আসনে জামায়াতে ইসলামী সহ ১০ দলীয় জোটের একাধিক প্রার্থী রয়েছে। ফলে সেসব আসনেও সমঝোতা হয়নি। এ নিয়ে রীতিমত জটিল সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
এদিকে ভোটের লড়াইয়ে অংশ নিতে চার ডজন প্রার্থী প্রচার প্রচারণার কাজ শুরু করেছে পুরোদমে। তবে এসব নাটকীয়তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা ও নির্বাচনী প্রচারণায় প্রকাশ্যে বাধা ও হুমকি দেওয়ার ঘটনা। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি জোটের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বাকযুদ্ধ রীতিমত টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস স‚ত্রে জানা গেছে, পাঁচটি আসনে ৪৮ জন প্রার্থীকে প্রতিক দেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ৭ জন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ৭ জন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১১ জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৩ জন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১০জন।
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি দলীয় প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভ‚ঁইয়া দিপু, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন যুবদল নেতা মো. দুলাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইমদাদুল্লাহ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মনিরুজ্জামান চন্দন, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. রেহান আফজাল।
নারায়ণগঞ্জ-২ ( আড়াইহাজার) আসনের প্রার্থীরা হলেন- ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, সিপিবি’র হাফিজুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর ইলিয়াস মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের কামরুল মিয়া, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ ও বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী আবু হানিফ হৃদয়।
নারায়ণগঞ্জ-৩ ( সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও বিএনপি দলের সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম।
এ আসনে জামায়াতে ইসলামী সহ ১০ দলীয় জোট থেকে ৪ জন রয়েছেন- তারা হলেন-জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভ‚ঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম।
এছাড়া আরও রয়েছে ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ্, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস, জনতার দলের আবদুল করিম মুন্সী ও গণঅধিকার পরিষদের মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী।
নারায়ণগঞ্জ-৪ ( ফতুল্লার পাঁচ ও সদরের দুই ইউনিয়ন) আসনের প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি দলীয় জোট প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনির হোসাইন কাসেমী, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ শাহ্ আলম ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। ১০ দলীয় জোট থেকে দুজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন- জাতীয় নাগরিক পার্টির অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন।
এছাড়া বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি ইসমাইল কাউসার, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সেলিম মাহমুদ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. সুলাইমান দেওয়ান, সিপিবির ইকবাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভ‚ঁইয়া ও বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির সেলিম আহমেদ।
নারায়ণগঞ্জ-৫ ( সদর- বন্দর) আসনের প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির নেতা মাকসুদ হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিসের এবিএম সিরাজুল মামুন, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী, বাসদের আবু নাঈম খান বিপ্লব, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এইচএম আমজাদ হোসেন মোল্লা, সিপিবির মন্টু চন্দ্র ঘোষ ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নাহিদ হোসেন।
দলীয় ও স্থানীয় স‚ত্রে জানা গেছে, জেলার ৫টি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় তাদেরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন-নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যুবদল নেতা মো. দুলাল, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও বিএনপি দলের সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ্ আলম ও বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন রয়েছেন। সম্প্রতি তার নির্বাচনী প্রচারণায় ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা প্রকাশ্যে বাধা ও হুমকি দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তাছাড়া এই ঘটনার মাত্র চারদিন আগে এই স্বতন্ত্র প্রার্থীর আরেক কর্মীর ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সব মিলিয়ে এই আসনে ভোটারদের মধ্যে বেশ শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ফুটবল প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীর লোকজন আমার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দিয়ে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও সবাই দেখেছে। তাদের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তবে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করি। ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি, জয়ের বিষয়ে আমি শতভাগ আশাবাদি।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী সহ তিনজন হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছে। ম‚লত এ আসনে ধানের শীষের কোন প্রার্থী না দিয়ে জোট থেকে প্রার্থী দেওয়ায় তৃণম‚লের অনেকাংশে ক্ষোভ বিরাজ করছে। ফলে নির্বাচনী প্রচারণায় সময় জোটের প্রার্থী সহ স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বাকযুদ্ধ দেখা যাচ্ছে।
বিএনপি জোটের প্রার্থীর সমালোচনা করে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, একটা পরগাছাকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার মানুষ তাকে চিনেনা, তার মার্কা চিনেনা। তিনি কোন মানুষর উপকার করে নাই। এখন সেই প্রার্থী সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও বিতর্কিতদের নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। কারণ হচ্ছে তাদের পায়ের নিচে মাটি নাই।
আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, আমি ধানের শীষের বিপক্ষে নির্বাচন করছিনা, আমি খেজুর গাছের বিরুদ্ধে করছি। আর তৃণম‚লের দাবি হলো, ধানের শীষের প্রার্থী চায় তারা। একারণে তারা আমাকে বেছে নিয়েছে। ফলে আমি জয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী।
অন্যদিকে বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বলেন, খেজুর গাছের রন্ধে রন্ধে কেউ যদি ধানের শীষের গন্ধ না পায় তাহলে সে বিএনপি নেতা না। বিএনপি দল থেকে আমাকে জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ১২ তারিখ ভোটের বাক্সে সবকিছুর প্রমাণ হয়ে যাবে।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। বিএনপি দলীয় হাইকমান্ড থেকে তাকে ডেকে নিয়ে আলোচনা করা হয়। তবুও তিনি নির্বাচন করার বিষয়ে অনড় থাকায় দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
তবে এই স্বতন্ত্র প্রার্থীকে নিয়ে বিচলিত নন এই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ। তিনি বলেন, ঢাকা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী হবো। ধানের শীষ বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়যুক্ত হবে। আর যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন দল থেকে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ-৩ ও নারায়ণগঞ্জ-৪ এই দুটি আসনে জামায়াতে ইসলামী সহ ১০ দলীয় জোটে সমঝোতা হয়নি।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামী সহ ১০ দলীয় জোট থেকে ৪ জন প্রার্থী রয়েছেন- তারা হলেন-জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভ‚ঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম। তবে প্রতিক বরাদ্দের পর গত ২৫ জানুয়ারী বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভ‚ইয়া।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর এই প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভ‚ইয়া বলেন, আমি আমার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। এই আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হলেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের মো. শাহজাহান (শিবলী)। আমরা তার পক্ষে নির্বাচনে কাজ করবো।
তবে এই আসনে বাকি দুজন প্রার্থীর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি। তারা এখনো নির্বাচনী মাঠে রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১০ দলীয় জোট থেকে দুজন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন- জাতীয় নাগরিক পার্টির অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন।
এ বিষয়ে পল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন দুজন প্রার্থী। সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, এই আসনটি সমঝোতার মাধ্যমে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। ফলে জোটভুক্ত যে কোন দল এখন থেকে প্রার্থী দিতে পারবে। এই আসনে নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি বা দলকে জোটের পক্ষ থেকে এককভাবে মনোনীত করা হয়নি।
অন্যদিকে ভিন্ন কথা বলছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন। তিনি বলেন, জোটের পক্ষ থেকে এই আসনে আমাকে চ‚ড়ান্ত করা হয়েছে। নয়টি দল এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আমার সঙ্গে থাকলেও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তাদের প্রার্থী সরিয়ে নেয়নি। আমি মনে করি, জোটের সিদ্ধান্তের প্রতি সকলের শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জানুয়ারি প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনে ৫০ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনজন প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ২১ জানুয়ারী ৪৭ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতিক বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে পুনরায় আপিল করে গত ২২ জানুয়ারি প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী আবু হানিফ হৃদয়। এতে করে পাঁচটি আসনের মোট প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৮।
মতামত দিন