Box-2

আওয়ামী লীগ দোষর আলীর বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের চেষ্টা ও হামলার অভিযোগ

 নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার শহীদনগর এলাকায় আওয়ামী লীগ দোষর আলী হোসেন মেম্বারের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা ও হামলার চালানোর অভিযোগ উঠে। তবে এ ঘটনায় ‘৯৯৯’ নম্বরে ফোন করেও পুলিশের সহায়তা পাওয়া যায়নি।  সেই সাথে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করতে বিবাদীরা ভুক্তভোগী নারী রাবেয়া সুলতানার নামে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা ঠুকে দিয়ে জেলে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। 
এ ঘটনায় শনিবার (৭ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর ভুক্তভোগী নারী রাবেয়া সুলতানা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বিবাদীরা হলেন- আওয়ামী লীগ দোষর আলী হোসেন মেম্বার, তার স্ত্রী পান্না আক্তার, তার দুই ছেলে সিফাত ও শিশির।
লিখিত অভিযোগে রাবেয়া সুলতানা উল্লেখ করে বলেন, আওয়ামী লীগ দোষর সন্ত্রাসী আলী হোসেন মেম্বার ও তার স্ত্রী পান্না আক্তারের ছত্রছায়ায় তাদের দুই ছেলে সিফাত ও শিশির ওই এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত আছে। তারা আমাদের বাড়ি-ঘর অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা করছে। সেই লক্ষ্যে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে মারধর করেছে। 
তিনি আরও বলেন, শহরের শহীদনগর এলাকায় আমার শ্বশুর মরহুম হাজী মো. সুজুর মিয়ার নামীয় সম্পত্তি ও বাড়িতে স্বামী-সন্তান সহ অন্য আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। এই সম্পত্তি নিয়ে যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা চলমান রয়েছে, যা স্বাক্ষী পর্যায়ে আছে।
চলমান এই মামলায় বিবাদীগন সুবিধা করতে না পেরে গত ৩ মার্চ বেলা ৩ টায় আমাদের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। আমি কোন উপায় অন্ত না পেয়ে তাৎক্ষনিক ৯৯৯ এ কল দিলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের কোন আইনগত সহায়তা প্রদান করেনি, বরং আলী হোসেন মেম্বার ও তার সন্ত্রাসী পুত্রদের সহায়তায় আমাদেরকে বেআইনীভাবে হেনস্তা করে। উক্ত আলী হোসেন মেম্বার অবৈধ অর্থ ব্যয় করে মিথ্যা তথ্য দিয়া আমাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় একটি পত্রিকায় মিথ্যা ও ভুয়া সংবাদ প্রচার করেন। সন্ত্রাসী আলী হোসেন মেম্বার ও তার স্ত্রী পান্না আক্তারের ভাড়াটিয়া বলে হেলাল উদ্দীন আমাদের ৩য় তলা বসত বাড়ীটিকে তার স্কুল বলে দাবী করেন।
এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক কোন প্রকার সহায়তা না পেয়ে আমি ও আমার মেয়ে স্বশরীরে নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় উপস্থিত হয়ে আইনত সহায়তা চাই। তবে পরিদর্শক (তদন্ত) জামাল ও এসআই বিল্লাল এর নিদের্শনায় আমার অভিযোগ গ্রহন না করে বিনা তদন্তে অনৈতিকভাবে লাভবান হয়ে মিথ্যা চাঁদাবাজীর মামলায় আমাকে ও আমার নাবালিকা কন্যাকে থানায় আটকে রাখে। এ সময় ওসি সাহেবের নিদের্শনায় আমার নাবালিকা কন্যাকে তৎক্ষনিক মুক্তি দেয়া হয়।
আর আমাকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার মামলা নং- ২৪/২৬, তাং ২২/০২/২০২৬ মূলে 'আদালতে প্রেরণ করিলে আদালত সকল বিষয় বিবেচনা করে আমাকে জামিন প্রদান করেন। আমাকে ও আমার নাবালিকা কন্যাকে থানা হেফাজতে আটক রাখাবস্থায় সন্ত্রাসী বাহিনী আনুমানিক ১০০ থেকে ১৫০ অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র ক্যাডার নিয়ে আমাদের বসতবাড়ীতে হামলা ও লুটপাট চালায়। এ সময় বাড়ীতে আমার নাবালক পুত্র রাজিন, ননদের নাবালিকা কন্যা স‚চী ও সাবালিকা সুপ্তি এবং আমার বয়জেষ্ঠ শাশুরী মমতাজ বেগম অবস্থান করছিলেন। সন্ত্রাসীরা এ সময় আমার নাবালক পুত্রকে মারধোর করে, ননদের কন্যাদের শ্লীলতাহানী সহ বয়জেষ্ঠ শাশুরীকেও শারীরিকভাবে মারধর করে। এছাড়াও বাসায় স্ট্রোকে আক্রান্ত আমার ননদের স্বামী শাহআলম-কে শারীরিকভাবে হেনস্থা করে। এসময় সন্ত্রাসীরা আমাদের বাড়ীর নীচ তলা ও উপরের তলার আসবাবপত্র তছনছ করে এবং ম‚ল্যমান জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়া যান। 

মতামত দিন

বিজ্ঞপ্তি
সবার আগে সব খবর পেতে ভিজিট করুন - voiceofnarayanganj.com I যে কোন সংবাদ বা বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন - 01963958226 / 01819136738 অথবা মেইল করুন - voiceofnarayanganj24@gmail.com