জামাই-শ্বশুরের ভোটের লড়াই
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তিনবারের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। একই আসন থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আহমেদুর রহমান তনু। তিনি এনসিপির কেন্দ্রয়ী কমিটির সদস্য, জেলার যুগ্ম আহŸায়ক ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক। তারা দুজন সম্পর্কে জামাই-শ্বশুর।
জানা গেছে, বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালামের মেয়ে অ্যাডভোকেট সামসুন নূর বাঁধনের জামাতা আহমেদুর রহমান তনু। সে হিসেবে মেয়ের জামাতার সাথে একই আসনে ভোটের লড়াই হবে। মনোনয়ন পত্র না প্রত্যাহার করলে ভোটের মাঠে তাদের লড়াই হবে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি প্রতিষ্ঠাকালে জিয়াউর রহমানের সাথে ছিলেন আবুল কালামের পিতা হাজী জালালউদ্দিন আহম্মেদ। তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার সূত্র ধরে ও বিএনপি আদর্শে গড়া আবুল কালামকে ১৯৯১ সাল থেকে টানা ছয় বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী করা হয়। এতে তিনি শহর-বন্দরের মানুষের ভোটে তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়ে উন্নয়নে ছিলেন প্রশংসিত। আবুল কালাম ক্লিন ইমেজে রাজনীতি কারণে তার কোন নিজস্ব বাহিনী বা বলয়ে নেই। যার কারণে শহর-বন্দরের মানুষের মধ্যে এখনো তার জনপ্রিয়তা রয়েছে তুঙ্গে।
অন্যদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে জুলাই বিপ্লবে অবদান রাখা ছাত্র-জনতার মধ্য থেকে এনসিপির আত্মপ্রকাশ হয়। এনসিপির কেন্দ্রয়ী কমিটির সদস্য, জেলার যুগ্ম আহŸায়কের দায়িত্ব পেয়ে জেলার নেতৃত্ব দেন তনু। ধীর ধীরে তিনি জেলার নানা সামাজিক কর্মকান্ডে অবদান রাখতে শুরু করেন। এর পাশাপাশি তিনি নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক হন। এখন পর্যন্ত রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজ ধরে রেখেছেন তিনি। তবে এবার শ্বশুরের সাথে ভোটের লড়াইয়ে কে জয়ী হবেন তা নিয়ে নানা সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
মতামত দিন