ফতুল্লার ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় সমঝোতা করার অভিযোগ মিথ্যা
স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে সালাউদ্দিন নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। পরে উভয় পক্ষ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে সমঝোতা করলে ওই নারী তার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন। তবে এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে একটি মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা অপ্রপ্রচার চালিয়ে আসছেন।
এ ঘটনায় গত ৩১ মে ফতুল্লা থানায় এজাহার প্রত্যাহারের জিডি দিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই নারী আপছানা বেগম।
জানা গেছে, ব্যবসায়ী সালাউদ্দিনের সাথে ওই নারী আপছানার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর থেকে বিয়ের আশ্বাস দেয় ব্যবসায়ী। এর ধারাবাহিকতায় গত ৩০ মে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সালাউদ্দিন বিয়ে করতে অস্বীকার করে। এতে ওই নারী ক্ষুব্ধ হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন ও ওই নারী সহ দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে উল্লেখ করে অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নেন ওই নারী।
এদিকে একটি কুচক্রী মহল গুজব ছড়িয়েছে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ফতুল্লা থানার ওসি ধর্ষণ মামলা রফাদফা করেছে। অথচ এ বিষয়ে বাদী ও বিবাদী নিজেরা বসে আপোষ করে নিয়েছে। তাছাড়া আপছানা বেগম তার অভিযোগের কোথাও ধর্ষণের কথা উল্লেখ করেনি। কিন্তু কে বা কারা এ নিয়ে গুজব ছড়িয়েছে ধর্ষণের ঘটনা হিসেবে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোন সমঝোতা বা আপোষ হয়নি। আর ওই নারী ধর্ষণের কোন অভিযোগ করেনি। ব্যবসায়ীর সাথে তার প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এখন ব্যবসায়ী তাকে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিলনা। এ নিয়ে নারী থানায় অভিযোগ করেছে। পরে উভয় পক্ষ নিজেরা বসে মিট-মিমাংসা করেছে এবং থানায় করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছে ওই নারী। অথচ এ ঘটনাকে কে বা কারা ভুল তথ্য দিয়ে একটি গুজব রটিয়ে দিয়েছে।
মতামত দিন