চাষাড়ায় আজমেরীর পক্ষে মিছিল: সানি-রনি-রুবেলসহ ২৪ জন আসামি
নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাড়া এলাকায় মিছিল ও জনসাধারণকে ভয়ভীতি দেখানো অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৪ নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। গত ২৩ মে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
সদর থানা পুলিশের এক উপপরিদর্শক জানান, এ ঘটনায় ৬ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি (৪০), জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জামির হোসেন রনি (৪১), মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কায়েকোবাদ রুবেল (৪২), দেওভোগ এলাকার আলী হায়দার সাগর (৩২), দেওভোগ পাক্কারোড এলাকার আরিফুল হক ফাহিম, ইমরান, ফতুল্লা এলাকার পাগলা হামিদ (৫২), মাসদাইরের আরিফ পাঠান রকি (২৮), পূর্ব ইসদাইর এলাকার পীর মোহাম্মদ শাওন (৩৭), এনায়েত নগরের জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল (৪০), আরিফুল হক ফাহিম, হাজীগঞ্জ এলাকার মনির হোসেন (৪০), হাজীগঞ্জ এলাকার বজলু (৪৫), শরিয়তপুর জেলার আফজাল মিস্ত্রী (৪২), খানপুর এলাকার আমির হোসেন (৩৬), সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার অভি (২৮), তৌহিদ আলী, মুসলিম নগর এলাকার জাবেদ (৫২), পাগলা বউ বাজার এলাকার নাঈম প্রকাশ (৩২) ও খানপুর এলাকার জালাল উদ্দিন, শাহদাত হোসেন ও খোরশেদ আলমকে আসামী করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরো ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামী করা হয়েছে।
মামলায় সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ আল মামুন অভিযোগ করেন, গত ৫ মে ভোর ৫ টায় আমরা শিবুমার্কেট এলাকায় অবস্থান করছিলাম। এ সময় মোবাইলে খবর পাই চাষাড়ায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল করছে। আমরা দ্রুত সেখানে তাদের ধরতে গেলে মিছিল শেষ করে ওরা দ্রুত সেখান থেকে একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায়।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান জানান, আমরা এ ঘটনায় জড়িত বেশ কয়েকজনকে আটক করেছি। মিছিলে ব্যবহৃত একটি মিনিবাসও জব্দ করেছি। বাকি আসামীদে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে ভোরে পলাতক আজমেরী ওসমানের সহযোগীরা মুখে লাল কাপড় বেঁধে চাষাড়া বিজয় স্তম্ভের সামনে ঝটিকা মিছিল করে পালিয়ে যায়। এর পরদিন, শহরের চাষাড়ায় গ্র্যান্ডহল রেস্টুরেন্টে যুবলীগের গোপন বৈঠক থেকে চাঁদপুর জেলার তিনজন আওয়ামী লীগ কর্মী এবং একই দিন রাতে হাজীগঞ্জ এমসার্কেস এলাকা থেকে আরো তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মতামত দিন